Sunday, March 20, 2022

AIRCRAFT MAINTENANCE ENGINEERING

Aircraft Maintenance Engineering (Aerospace)  engineering is the primary branch of engineering behind the design, construction, and science of aircraft and spacecraft. Aerospace engineering deals with the design, construction, and application of the science behind the forces and physical properties of aircraft, rockets, flying craft, and spacecraft. The field also covers its aerodynamic characteristics and behaviors, airfoil, control surfaces, lift, drag, and other properties. Aerospace engineering is not to be confused with the various other fields of engineering that go into designing these complex craft. For example, the design of aircraft avionics, while certainly part of the system as a whole, would rather be considered electrical engineering, or perhaps computer engineering. The landing gear system on an aircraft may fall into the field of mechanical engineering, and so forth. It is typically a large combination of many disciplines that makes up aeronautical engineering.

Admission Requirement


SSC from Science with a minimum of 3.5 GPA having good knowledge of English.

COMPUTER ENGINEERING

ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং একটি ৪ বছর মেয়াদী ৮ সেমিষ্টারের কোর্স। এখানে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডাটা কমিউনিকেশন এন্ড নেটওয়ার্কিং, রোবোটিকস, মাইক্রোপ্রসেসর বেজড সিস্টেম ডিজাইন, এম্বেডেড সিস্টেম ডিজাইন, ডাটাবেজ প্রোগ্রামিং সহ কম্পিউটার প্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে হাতেকলমে শেখানো হয়। বর্তমান যুগ কম্পিউটার নির্ভর যুগ, সকল কলকারখানা, অফিস, ব্যবস্থাপনা এখন কম্পিউটার নির্ভর। ভার্চুয়াল জগতের এই পৃথীবিতে মানুষ দিন দিন কম্পিউটার নির্ভর হয়ে পড়ছে ফলে বাড়ছে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে পাশ করা দক্ষ প্রকৌশলীদের চাহিদা। বর্তমানে দেশের বাজারে অন্যতম জব সেক্টর হল কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বা আইসিটি নির্ভর।

কম্পিউটার বিভাগের কর্মক্ষেত্রঃ

কম্পিউটার বিভাগের কর্মক্ষেত্রের কথা বলতে গেলে বলতে হবে এখন কোথায় নেই কম্পিউটার থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীদের চাকুরীর সুযোগ। প্রতিটি দফ্তর, প্রতিটি ইন্ডাষ্ট্রিতে এখন একজন বা একাধিক আইটি এক্সপার্ট বা কম্পিউটার প্রকৌশলী আবশ্যক। দেশের সরকারি প্রায় প্রতি ডিপার্টমেন্টে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীদের কাজের সুযোগ রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ এখন বিশ্বের অন্যতম আউটসোর্সিং কান্ট্রি যার বড় একটি অংশ কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পর্কিত সেবা। দেশের ক্রমবর্ধমান আসিটি খাত ও সফটওয়্যার শিল্পে এবং কম্পিউটারাইজড বিশ্বে সর্বত্র খোলা রয়েছে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে পাশকৃত শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্র।

ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের কম্পিউটার বিভাগে কেন ভর্তি হবেন?


ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটে কম্পিউটার বিভাগের জন্য রয়েছে আলাদা ৬ টি ভিন্ন ভিন্ন কম্পিউটার ল্যাব। যা একটি ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাদানকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য অত্যাবশ্যক। এর সাথে সাথে ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটে রয়েছে কম্পিউটার বিভাগের জন্য ৫ জন দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক, যারা সবাই বিভিন্ন বিষয়ে ব্যাবহারিক কাজে দক্ষ। আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব ও অন্যান্য বিষয়ের জন্য আমাদের রয়েছে ইলেকট্রনিক্স ও মাইক্রোপ্রেসেস- মাইক্রোকন্ট্রোলার ল্যাব। এছাড়া ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিউটে রয়েছে কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের জন্য বিভিন্ন বই সম্বলিত সমৃদ্ধ লাইব্রেরী। এখানকার কম্পিউটার বিভাগ থেকে পাশকৃত শিক্ষার্থীরা দেশের অনেক নামকরা সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভাল পজিশনে কাজ করছে। শিক্ষার্থীদের বাস্তব সম্মত শিক্ষা প্রদানের জন্য থিওরী ও ব্যবহারিক ক্লাসের পাশাপাশি ইন্ডাষ্ট্রিয়াল ট্যুর ও প্রজেক্ট ভিত্তিক শিক্ষা দেয়া হয়।

ভর্তির যোগ্যতাঃ


যে কোন বিভাগ থেকে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষা ন্যূনতম ২.৫ জিপিএ সহ উত্তীর্ণ।

টিউশন ফিঃ

ভর্তি ফি: ৫০০০/- + ৩০০০/-

মাসিক বেতন: ১২০০-১৮০০/- (মেয়ে শিক্ষার্থীদের মাসে বেতন ৪০০/-)

সেমিষ্টার ফি: ৩০০০/-
SHIPBUILDING TECHNOLOGY

SHIPBUILDING TECHNOLOGY

বর্তমান সময়ের চাহিদা সম্পন্ন বিষয় শিপবিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং। চাইলে আপনিও পড়তে পারেন সম্ভাবনাময় এ বিষয়ে। শিপবিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারের কাজ : নিত্যনতুন ডিজাইন, শিপ আপগ্রেড ও মেরামতের কাজই হচ্ছে একজন শিপবিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারের কাজ। শিপবিল্ডিং-এর কাজকে সাধারণত সাত ভাগে ভাগ করা যায়। ডিজাইন, কনস্ট্রাকশন, প্ল্যানিং, ওয়ার্কপ্রিয়র টু কিল লায়িং, শিপ ইরেকশন, লঞ্চিং, ফাইনাল আউটফিটিং, সি-ট্রায়ার। সকল ধাপে জাহাজের ডিজাইন ইভালুয়েশন এবং ক্যালকুলেশন করা, কনভারশন রিভল্বিং, মডার্নাইজেশন এবং জাহাজ রিপেয়ারিং ও শিপবিল্ডিং-এর আওতাভুক্ত।

ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের শিপবিল্ডিং মেরিন বিভাগে


কর্মক্ষেত্রঃ


সকোর্স কমপ্লিট করার পর শিপ কন্সট্রাকশন ফিল্ডের  যে কোন সেকশনে কাজ করতে পারেন একজন শিপবিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং। শিপবিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের ধরনের উপর বেতন নির্ধারিত হয়ে থাকে। সরকারি বেসরকারি শীড ইয়ার্ড, শীপ মেইনট্যানেন্স সেক্টরে এই বিভাগ থেকে পাশকৃত শিক্ষার্থীদের চাকুরীর সুযোগ রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে বিভিন্ন সময়ে এই বিভাগের জন্য নিয়োগ থাকে।

কেন ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের মেরিন বিভাগে ভর্তি হবেন?


ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের শিপবিল্ডিং মেরিন বিভাগে রয়েছে ২ জন বিএসসি মেরিন ইঞ্জিনিয়ার শিক্ষক যারা প্রত্যেকেই আন্তর্জাতিক মার্চেন্ট জাহাজে অভিজ্ঞ শিক্ষক রয়েছে শীপবিল্ডিং বিভাগের জন্য ১ জন অভিজ্ঞ শিক্ষক। এখানে রয়েছে খুলনা শীপ ইয়ার্ডে বাস্তব শিপবিল্ডিং ক্ষেত্রে কাজ করছে এমন খন্ডকালীন শিক্ষক। শিপবিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের জন্য অভিজ্ঞ শিক্ষক প্রথম শর্ত। ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের মেরিন ও শিপবিল্ডিং বিভাগের জন্য রয়েছে মেরিন ওয়ার্কশপ, মেকানিক্যাল ওয়ার্কশপ, ওয়েল্ডিং শপ, রেফ্রিজারেশন শপ। এখানকার পাশকরা শিক্ষার্থীরা দেশের নামকরা কোম্পানীতে দক্ষতার পরিচয় দিয়ে চাকুরীর সুযোগ করে নিয়েছে।

ভর্তির যোগ্যতাঃ


যে কোন বিভাগ হতে নূন্যতম ২.০০ জিপিএ সহ এসএসসি/সমমান পাশ

টিউশন ফিঃ


ভর্তি ফিঃ ৫০০০/- (একবার)

সেমিষ্টার ফিঃ ৭০০০/- (প্রতি ৬ মাস পর পর ৮ টি সেমিষ্টার)

প্রতি মাসে বেতনঃ ০/-  ( ৪ বছরে ৪৮ মাসের জন্য)

৪ বছরে মোট খরচঃ ৬১০০০/-

MARINE ENGINEERING

বর্তমান সময়ে যত ধরনের ক্যারিয়ার রয়েছে তার মধ্যে মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং এগিয়ে রয়েছে চাহিদায়। এই পেশায় যেমন রয়েছে অর্থপ্রাপ্তির সুযোগ, তেমনি রয়েছে দেশ-বিদেশ ঘুরার সুযোগ। মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং Challenging এবং অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ একটি পেশা। এই পেশাতে জাহাজের ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে অল্প সময়ে আত্ননির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারে এবং দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে অবদান রাখতে পারে। এই কোর্সটি মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল, থার্মাল এবং কন্ট্রোল ইঞ্জিনিয়ারিং এর সম্মিলিত রূপ বিধায় একে ‘ইন্ট্রিগ্রেটেড ইঞ্জিনিয়ারিং’ বলা হয়। একজন ডিপ্লোমা মেরিন ইঞ্জিনিয়ারের একই সঙ্গে জল ও স্থল দুটি সেক্টরেই কর্মদক্ষতার সুযোগ রয়েছে। বর্তমান উন্নত বিশ্বে মেরিন ইঞ্জিনিয়ার পদবীকে একটি সম্মানজনক পদ হিসেবে অভিহিত করা হয়। একজন ডিপ্লোমা মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সল্পসময়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত নাবিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারে।

মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং এমন একটি টেকনোলজি যেখানে Power Plant পরিচালনা এবং মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং সংশ্লিষ্ট বিষয়, সামুদ্রিক জাহাজ, ডক এবং স্থলভিত্তিক Engine Installation and Maintenance সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা দেওয়া হয়। একজন মেরিন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার নিজেকে সে সকল কর্মক্ষেত্রে জড়িত করতে পারে সেগুলো হচ্ছে পাওয়ার প্লান্ট, ডিজেল ও গ্যাস ইঞ্জিন অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স , বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী জাহাজের ইঞ্জিনিয়ার এবং বিভিন্ন ইঞ্জিন মেনুফেকচারিং কোম্পানী গুলোতে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কাজ করতে পারে।

কর্মক্ষেত্রঃ


সরকারি বিভিন্ন পাওয়ার প্লান্ট, BIWTA, পোর্ট. বাংলাদেশ নৌবাহিনী, শিপিং কর্পোরেশন। বেসরকারি বিভিন্ন পাওয়ার প্লান্ট, জাহাজ, ফিসিং ভেসেল, ইনল্যান্ড ভেসেল, ট্যাংকার, শিপ মেইনটেন্যান্স সেক্টরে। এছাড়া সরকারি চাকুরীতে প্রায় সকল মেক্যানিক্যাল সম্পর্কিত চাকুরীতে মেরিন বিভাগের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারে।

কেন ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের মেরিন বিভাগে ভর্তি হবেন?


ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের মেরিন বিভাগে রয়েছে ২ জন বিএসসি মেরিন ইঞ্জিনিয়ার শিক্ষক যারা প্রত্যেকেই আন্তর্জাতিক মার্চেন্ট জাহাজে অভিজ্ঞ এবং ২য় শ্রেনীর মেরিন ইঞ্জিনিয়ার ও একজন ডিপ্লোমা মেরিন ইঞ্জিনিয়ার শিক্ষক। মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের জন্য অভিজ্ঞ শিক্ষক প্রথম শর্ত। ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের মেরিন বিভাগের জন্য রয়েছে মেরিন ওয়ার্কশপ, মেকানিক্যাল ওয়ার্কশপ, ওয়েল্ডিং শপ, রেফ্রিজারেশন শপ। এখানকার পাশকরা শিক্ষার্থীরা দেশের নামকরা কোম্পানীতে দক্ষতার পরিচয় দিয়ে চাকুরীর সুযোগ করে নিয়েছে।

ভর্তির যোগ্যতাঃ


  • যে কোন বিভাগ থেকে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষা ন্যূনতম ২.৫ জিপিএ সহ উত্তীর্ণ।

টিউশন ফিঃ


ভর্তি ফি: ৫০০০/- + ৩০০০/-

মাসিক বেতন: ১২০০-১৮০০/- (মেয়ে শিক্ষার্থীদের মাসে বেতন ৪০০/-)

সেমিষ্টার ফি: ৫০০০/-

ELECTRICAL ENGINEERING

Electrical engineering is a field of engineering that generally deals with the study and application of electricity, electronics, and electromagnetism. This field first became an identifiable occupation in the latter half of the 19th century after commercialization of the electric telegraph, the telephone, and electric power distribution and use. Subsequently, broadcasting and recording media made electronics part of daily life. The invention of the transistor and, subsequently, the integrated circuit brought down the cost of electronics to the point where they can be used in almost any household object. The personal computer and information technology are the most complex electronics yet to be used in everyday life.

ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর চাকুরীর ক্ষেত্রঃ


সরকারী প্রায় প্রতিটি ডিপার্টমেন্টে ডিপ্লোমা ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারগন চাকুরীর সুযোগ পান, এর মধ্যে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, পল্লীবিদ্যুৎ, ডিপিডিসি, কেপিসিএল, এলজিইডি, ওয়াসা, পানি উন্নয়ন বোর্ড, পৌরসভা, সিটি কপর্পোরেশন, শহর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি কলকারখানা, এছাড়া বেসরকারি পর্যায়ে দেশে লক্ষ লক্ষ ছোটবড় শিল্প কারখানা, গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি, বেসরকারি পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন ও পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানীতে ইলেকট্রিক্যাল থেকে ডিপ্লোমা পাশ করা শিক্ষার্থীদের সাব-এসিষ্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে জাতীয় বেতন স্কেলের ১০ম গ্রেডে চাকুরী শুরু হয়।

অন্যান্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তুলনায় কেন ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটে ভর্তি হবেন?


ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা কোর্স শেষে দেশের নামকরা সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছে তা ইতমধ্যে আমাদের তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। আমাদের শিক্ষার্থীদের এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে প্রতিষ্ঠানের মানসম্মত পরিবেশ, অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলীর নিবিড় পর্যাবেক্ষন, উন্নত মানের একাধিক ল্যাব ও ওয়ার্কশপ যেখানে থিওরী শেখার পাশাপশি ম্যানগ্রোভের শিক্ষার্থীরা ব্যাবহারিক শিক্ষায় পারদর্শী এবং এই ব্যাবহারিক শিক্ষার জন্য যে কোন প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন আধুনিক যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ ল্যাব। ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের জন্য রয়েছে ৩টি আলাদা ল্যাব যেখানে আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে ল্যাব সুসজ্জিত হয়েছে, এখানকার শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ল্যাবের পাশাপাশি অতিরিক্ত ব্যাবহারিক ক্লাস করার মাধ্যমে হাতেকলমে কাজ করার দক্ষতা অর্জন করে যার কারনে দেশের জব মার্কেটের চ্যালেঞ্জ নিয়ে নিজেদের অবস্থান তৈরি করে নিচ্ছে ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা।


ভর্তির যোগ্যতাঃ


  • যে কোন বিভাগ থেকে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষা ন্যূনতম ২.৫ জিপিএ সহ উত্তীর্ণ।

টিউশন ফিঃ

ভর্তি ফি: ৫০০০/- + ৩০০০/-

মাসিক বেতন: ১২০০-১৮০০/- (মেয়ে শিক্ষার্থীদের মাসে বেতন ৪০০/-)

সেমিষ্টার ফি: ৩০০০/-

ELECTRONICS ENGINEERING

ডিপ্লোমা ইন ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং একটি গুরুত্বপূর্ন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স যেখানে ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিভিন্ন শাখার কাজের তাত্ত্বিক ও ব্যাবহারকি শিক্ষা দেয়া হয়। এনালগ ইলেকট্রনননিক্স, ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স, কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার, রেডিও-টেলিভিশন ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে শুরু করে রাডার এন্ড নেভিগেশন ও স্যাটেলাইট কমিউনিকেশনের মত অনেক গুরুত্বপূর্ন বিষয় রয়েছে ৪ বছর মেয়াদী এই কোর্সে।

ইলেকট্রনিক্স বিভাগের চাকুরীর ক্ষেত্র সমূহঃ


ইলেকট্রনিক্স বিভাগ থেকে ডিপ্লোমা পাশ করার পরে শিক্ষার্থীরা সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সাব এস্ট্যিান্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকুরীর সুযোগ পাবে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার, সরকারি হাসপাতালে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ার, পাওয়ার প্লান্ট, ইলেকট্রিক্যাল গ্রীড কোম্পানী, বিটিসিএল, অপটিক্যাল ফাইবার কোম্পানী, টেলিফোন বোর্ড, সরকারী ভোকেশনাল শিক্ষক, এছাড়া বেসরকারি হাজারো ইলেকট্রনিক্স গুডস কোম্পানী, টেলিভিশন চ্যানেল, মোবাইল অপারেটর কোম্পানী, কমিউনিকেশন কোম্পানী, ইন্ডাষ্ট্রিয়াল অটোমেশন সেক্টরে প্রতুল চাহিদা রয়েছে। এমনকি বাংলাদেশে বর্তমানে ইলেকট্রনিক্স বিভাগ থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীদের তুলনায় অনেক বেশি সংখ্যক চাকুরীর সুযোগ রয়েছে।

অন্যান্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তুলনায় কেন ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটে ভর্তি হবেন?


ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা কোর্স শেষে দেশের নামকরা সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছে তা ইতমধ্যে আমাদের তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। আমাদের শিক্ষার্থীদের এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে প্রতিষ্ঠানের মানসম্মত পরিবেশ, অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলীর নিবিড় পর্যাবেক্ষন, উন্নত মানের একাধিক ল্যাব ও ওয়ার্কশপ যেখানে থিওরী শেখার পাশাপশি ম্যানগ্রোভের শিক্ষার্থীরা ব্যাবহারিক শিক্ষায় পারদর্শী এবং এই ব্যাবহারিক শিক্ষার জন্য যে কোন প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন আধুনিক যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ ল্যাব। ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের ইলেকট্রনিক্স বিভাগের জন্য রয়েছে ২টি আলাদা ল্যাব যেখানে আধুনিক পিএলসি, মাইক্রোকন্ট্রোলার, রোবোটিকস এর যন্ত্রপাতি দিয়ে ল্যাব সুসজ্জিত হয়েছে, এখানকার শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ল্যাবের পাশাপাশি অতিরিক্ত ব্যাবহারিক ক্লাস করার মাধ্যমে হাতেকলমে কাজ করার দক্ষতা অর্জন করে যার কারনে দেশের জব মার্কেটের চ্যালেঞ্জ নিয়ে নিজেদের অবস্থান তৈরি করে নিচ্ছে ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা।


ভর্তির যোগ্যতাঃ

  • যে কোন বিভাগ থেকে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষা ন্যূনতম ২.৫ জিপিএ সহ উত্তীর্ণ।

টিউশন ফিঃ


ভর্তি ফি: ৫০০০/- + ৩০০০/-

মাসিক বেতন: ১০০০/- (মেয়ে শিক্ষার্থীদের মাসে বেতন ৪০০/-)

সেমিষ্টার ফি: ৩০০০/-

GARMENTS DESIGN & PATTERN MAKING

রেডিমেট গার্মেন্টস পন্য রপ্তানি বাংলাদেশের প্রধান বৈদেশিক মূদ্রা অর্জনের খাত। বাংলাদেশের সরকারি ব্যবস্থাপনার মাত্র ২টি ইন্সটিটিউটে ডিপ্লোমা-ইন-টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস ডিজাইন এন্ড প্যাটার্ণ মেকিং ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু আছে । এসব সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রতি বছর সীমিত আসনে ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি করা হয় । ইহাতে যে পরিমান ডিপ্লোমা ইন-টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস ডিজাইন এন্ড প্যাটার্ণ মেকিং ইঞ্জিনিয়ার পাশ করিতেছে, তাহা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই নগন্য । তাই ঘাটতি পুরন করার জন্য বিদেশ থেকে অনেক টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস ডিজাইন এন্ড প্যাটার্ন মেকিং ইঞ্জিনিয়ার আনতে হয় । অথচ আমাদের দেশে লক্ষ লক্ষ বেকার যুবক/যুবতী চাকুরী না পাইয়া হতাশাগ্রস্থ হইতেছে । বস্ত্র মন্ত্রনালয় থেকে প্রকাশিত এক জরিপে জানা যায়, দেশে বস্ত্র ও রপ্তানী মুখী পোশাক (গার্মেন্টস) শিল্পে টেক্সটাইল ডিগ্রীধারী ও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারের প্রয়োজন ৩০,০০০ জন, সেখানে কর্মরত আছে মাত্র ২৫০০ জন । বস্ত্র অধিদপ্তরের প্রকাশিত প্রদিবেদন মোতাবেক এখনও বাংলাদেশে সরবারহ কৃত দক্ষ জনবলের পাশাপাশি ২০২১ সাল পর্যন্ত ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে।

কর্মক্ষেত্রঃ


দেশের বস্ত্র শিল্প এই বিভাগের কর্মক্ষেত্রে প্রধান স্থান। দেশের প্রতিটি তৈনি পোষাক কারখানাতে কোয়ালিটি কন্ট্রোলার, প্রোডাক্শন অফিসার, প্যাটার্ন অফিসার থেকে শুরু করে বিভিন্ন পদে গার্মেন্টস ডিজাইন এন্ড প্যাটার্ন মেকিং বিভাগ থেকে পাশকৃত শিক্ষার্থীরা কাজ করার সুযোগ পাবে। উপরের চিত্রে দেখা যায় যে দেশে কি পরিমান জব এই বিভাগ থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীদের জন্য খালি আছে।

কেন ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের গার্মেন্টস ডিজাইন এন্ড প্যাটার্ন মেকিং বিভাগে ভর্তি হবেন?
ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের এই বিভাগ থেকে পাশকৃত শিক্ষার্থীদের চাকুরী পাবার হার ১০০%। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে একমাত্র দেশের মধ্যে ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের অভ্যন্তরে রয়েছে একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী যেখান থেকে শিক্ষার্থীরা অন্য যে কোন প্রতিষ্ঠানের তুলনায় একটি বাস্তব গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী সম্পর্কে এবং সরাসরি প্রোডাকশন সিস্টেম, প্যাটার্ন  তৈরি, কোয়ালিটি কন্ট্রোল সম্পর্কে ভাল ধারনা পেতে পারে। এখানে রয়েছে এই বিভাগের জন্য সুদক্ষ শিক্ষক মন্ডলী। এছাড়া কম্পিউটার এইডেড গার্মেন্টস প্যাটার্ন ডিজাইনিং করতে রয়েছে সুসজ্জিত কম্পিউটার ল্যাব।

ভর্তির যোগ্যতাঃ

  • যে কোন বিভাগ থেকে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষা ন্যূনতম ২.৫ জিপিএ সহ উত্তীর্ণ।

টিউশন ফিঃ


ভর্তি ফি: ৫০০০/- + ৩০০০/-

মাসিক বেতন: ১০০০/- (মেয়ে শিক্ষার্থীদের মাসে বেতন ৪০০/-)

সেমিষ্টার ফি: ৩০০০/-

TOURISM & HOSPITALITY

সমগ্র বিশ্বে এখন পর্যটন শিল্প একটি অন্যতম শিল্প। দেশে তৈরি হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের হোটেল-মোটেল। বাড়ছে দক্ষ কর্মীর চাহিদা। দেশের বাইরেও আছে লোভনীয় চাকরির হাতছানি। তাই এসএসসি পাসের পর ভর্তি হতে পারেন হসপিটালিটি এন্ড ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্ট। এখানে সৌন্দর্যের চেয়ে এখানে ভালো কাজ জানাটাই গুরুত্বপূর্ণ। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের বিভাগীয় চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মুজিব উদ্দিন আহমেদ বলেন, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিষয়টি নতুন হলেও সমাজে ও কর্মক্ষেত্রে এর ব্যাপক চাহিদা থাকায় এর প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। এখানে যেমন রয়েছে পর্যাপ্ত বেতন ও সুযোগ-সুবিধা। দেশের বাইরে কেবল এর একটি সার্টিফিকেট ও দক্ষতা দিতে পারে অসাধারন িএকটি ক্যারিয়ারের সুযোগ।

বিদেশে পড়াশোনা ও চাকুরীর সুযোগ


ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, সুইজারল্যান্ড, ভারত, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, পোল্যান্ড, সাইপ্রাসসহ বিভিন্ন দেশে ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজমে পড়াশোনাসহ গ্র্যাজুয়েশন করার সুযোগ রয়েছে। পর্যটন শিল্পের ওপর নির্ভর করে এসব দেশে গড়ে উঠেছে প্রচুর হোটেল রেস্টুরেন্ট, রিসোর্ট, ট্যুর কোম্পানি ও ট্রাভেল এজেন্সি। এসব দেশে এখনও দক্ষ পেশাজীবীর প্রচুর চাহিদা। এখনও পড়াশোনা এবং প্রশিক্ষণের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল শিক্ষার পাশাপাশি ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজমে কাজ করার অফুরন্ত সুযোগ। তাই এসব দেশে বাংলাদেশ থেকে প্রচুর শিক্ষার্থী যাচ্ছে। আপনিও চাইলে প্রয়োজনীও শর্ত পূরণ করে যেতে পারেন এসব দেশে। আমাদের স্বপ্নের এ বাংলাদেশে ট্যুরিজম অ্যান্ড হোটেল ম্যানেজমেন্টে ক্যারিয়ার দিন দিন বাড়ছে। আমাদের এ শিল্পকে এগিয়ে নিতে আপনিও পারেন অবদান রাখতে।

ভর্তির যোগ্যতাঃ

  • যে কোন বিভাগ থেকে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষা ন্যূনতম ২.৫ জিপিএ সহ উত্তীর্ণ।

টিউশন ফিঃ


ভর্তি ফি: ৫০০০/- + ৩০০০/-

মাসিক বেতন: ৫০০/- (মেয়ে শিক্ষার্থীদের মাসে বেতন ৪০০/-)

সেমিষ্টার ফি: ৩০০০/-

POWER ENGINEERING

কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ডিপ্লোমা ইন পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং উত্তীর্ণদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজের সুযোগ আছে। বেসরকারি পর্যায়ে বিদ্যুৎ উত্পাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে অনেক পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। সরকারি বিদ্যুৎ উত্পাদন কেন্দ্রেও তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়। অটোমোবাইল সেক্টরেও অনেক সুযোগ আছে। দেশে অনেক সিএনজি ফিলিং স্টেশন আছে। প্রত্যেক সিএনজি ফিলিং স্টেশনে কমপক্ষে একজন করে ডিপ্লোমা ইন পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করা প্রকৌশলীর প্রয়োজন হয়। একজন ডিপ্লোমা ইন পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পাস করা শিক্ষার্থী নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন। বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে অটোমোবাইল শপ করতে পারেন। দেশে প্রতিনিয়ত যানবাহনের সংখ্যা বাড়ছে। শুধু ঢাকা শহরেই নয়, গ্রামাঞ্চলেও বাড়ছে গাড়ির সংখ্যা। এসব পরিবহনের কারিগরি বিষয় দেখাশোনার জন্য পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারদের প্রয়োজন হয়। পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আরেকটি বিভাগ হচ্ছে রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ারকন্ডিশনিং। রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ারকন্ডিশনার উত্পাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে চাকরি করতে পারেন। এসব পণ্য সার্ভিসিংয়ের জন্যও পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারদের প্রয়োজন হয়। শুধু দেশেই নয়, দেশের বাইরেও কাজের প্রচুর ক্ষেত্র রয়েছে।

কেন ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটে ভর্তি হবেন?


ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের পাওয়ার বিভাগের জন্য রয়েছে ভারি মেশিনারিজ সমৃদ্ধ ৩২টি ল্যাব ও ওয়ার্কশপ। পাওয়ার ও মেকানিক্যাল বিভাগের জন্য রয়েছে ৭ জন পূর্নকালীন দক্ষ শিক্ষক। এখনকার শিক্ষার্থীদের হাতেকলমে শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য সর্বাত্তক ক্লাসে অংশগ্রহন নিশ্চিত করা হয়।

ভর্তির যোগ্যতাঃ


  • যে কোন বিভাগ থেকে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষা ন্যূনতম ২.৫ জিপিএ সহ উত্তীর্ণ।

টিউশন ফিঃ


ভর্তি ফি: ৫০০০/- + ৩০০০/-

মাসিক বেতন: ৫০০/- (মেয়ে শিক্ষার্থীদের মাসে বেতন ৪০০/-)

সেমিষ্টার ফি: ৩০০০/-

ARCHITECTURE AND INTERIOR DESIGN

আর্কিটেকচার এন্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইন

আর্কিটেকচার এন্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইন একটি ৪ বছর (৮ সেমিষ্টার) মেয়াদী কোর্স। সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে মানুষের কাজের ক্ষেত্রও বাড়ছে। নিত্য নতুন এসব কর্মক্ষেত্রে নিজেদের যুক্ত করে অনেকেই সফলভাবে তাদের ক্যারিয়ার গড়ে তুলছেন। আমাদের দেশে তেমনি একটি কর্মক্ষেত্র হচ্ছে আর্কিটেকচার এন্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং। প্রতিটি স্থানকে কাজে লাগিয়ে আসবাব, লাইট, গৃহসজ্জা সামগ্রীর যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে বাড়ি, অফিস বা যেকোনো প্রতিষ্ঠানকে আরামদায়ক ও নান্দনিকভাবে উপস্থাপন করাই আর্কিটেকচার এন্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইনের প্রধান লক্ষ্য । আর যিনি এ কাজ দক্ষতার সাথে করে থাকেন তিনি আর্কিটেক্ট ও ইন্টেরিয়র ডিজাইনার ।

মানুষ একদিকে যেমন চায় নিজেকে সুন্দর দেখতে, অন্যদিকে চায় তার আবাসস্থল এবং ভেতরের সাজসজ্জা, অফিস-আদালত, হাসপাতাল, বিদ্যালয় থেকে শুরু করে সব কিছুর সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে। আর এ কাজটাই করতে হয় একজন আর্কিটেক্ট ও ইন্টেরিয়র ডিজাইনারকে। আপনি যে ঘরে বসবাস করছেন সে ঘরের দেয়াল, মেঝে, দরজা, জানালা, আসবাব এমনকি পর্দাটাই বা কেমন হবে সে হিসাবটা করবেন আর্কিটেক্ট ও ইন্টেরিয়র ডিজাইনার। এক কথায় বলা চলে, স্থাপনার বাইরের সৌন্দর্য্য ঘরের ভেতরের দেয়ালের রঙ, মানানসই আসবাবপত্রের ডিজাইন ও রঙ থেকে শুরু করে স্বল্প পরিসরের জায়গাকে কীভাবে বেশি করে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে যাবতীয় ডিজাইন ও বাস্তবায়ন করাটাই আর্কিটেক্ট ও ইন্টেরিয়র ডিজাইনারের কাজ।

আর্কিটেকচার এন্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইন থেকে পাশকৃত শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্রঃ

বর্তমানে আমাদের দেশের তরুণরা এ ক্ষেত্রটিতে নিজেদের যুক্ত করে গড়ে তুলছে অন্যতম একটি সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ার। বিভিন্ন আর্কিটেকচারাল কোম্পানি , রিয়েল এস্টেট কোম্পানি, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ফার্ম, ইন্টেরিয়র ডিজাইন ফার্ম, পেইন্ট কোম্পানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইন্টেরিয়র ডিজাইনারদের প্রচুর চাহিদা ব্যাপক । এছাড়া সরকারি বিভিন্ন সংস্থা যেমন রাজউক, কেডিএ, সিটি কর্পোরেশন, গনপূর্ত বিভাগ সহ যে কোন নির্মানমুখী চাকুরী ক্ষেত্রে এখন আর্কিটেকচার এন্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইন বিভাগ থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীর চাকুরীর সুযোগ তৈরি হয়েছে।

ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট থেকে পাশকৃত শিক্ষার্থীরা যে সকল প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেঃ

ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিউটে ২০১৬ সাল থেকে আর্কিটেকচার এন্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইন বিভাগ চালু করা হয়। এই প্রতিষ্ঠানের ২০১৬-১৭ সেশনের প্রথম ব্যাচ ২০২০ সালে পাশ করে বের হবে। (পরবর্তিতে চাকুরীর তথ্য হালনাগাদ করা হবে)

ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের আর্কিটেকচার এন্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইন বিভাগে কেন ভর্তি হবেন?
আর্কিটেকচার এন্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইন বিভাগের জন্য প্রয়োজন দক্ষ-অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী যারা তাদের মেধা দিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্রিয়েটিভিটিকে জাগ্রত করে নিত্য নতুন ডিজাইন করা শেখাবেন। ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটে রয়েছে একদল দক্ষ-অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী ও বিভাগের উপদেষ্টা হিসেবে আছেন আর্কিটেকচার এন্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইন বিভাগের জন্য বাস্তব কর্মক্ষেত্রে কাজ করছে এমন নামকরা আর্কিটেক্ট। এর পাশাপাশি আর্কিটেকচার এন্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইন বিভাগের হাতেকলমে কাজ শেখানোর জন্য এখানে রয়েছে আর্কিটেকচার ষ্টুডিও, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাব, কম্পিউটারের ডিজাইন সফটওয়্যারে দক্ষ করার জন্য রয়েছে আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব। এছাড়া শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা তরান্বিত করতে প্রতিষ্ঠানে রয়েছে সমৃদ্ধ লাইব্রেরী। এখানকার শিক্ষার্থীদের প্রতি সেমিষ্টারে একটি ইন্ডাষ্ট্রিয়াল ট্যুর বাধ্যতামূলক ফলে শিক্ষার্থীরা থিওরী ও ল্যাব ক্লাসের পাশাপাশি বাস্তব কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে ধারনা পায়।

ভর্তির যোগ্যতাঃ


যে কোন বিভাগ থেকে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষা ন্যূনতম ২.৫ জিপিএ সহ উত্তীর্ণ।
টিউশন ফিঃ

ভর্তি ফি: ৫০০০/- + ৩০০০/-
মাসিক বেতন: ৫০০/- (মেয়ে শিক্ষার্থীদের মাসে বেতন ৪০০/-)
সেমিষ্টার ফি: ৩০০০/-

CIVIL ENGINEERING

পৃথিবীর প্রাচীনতম ইঞ্জিনিয়ারিং বলতে গেলে যে বিষয়টি মানুষের মাথায় খেলা করে তা হলো সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বা পুরকৌশল।।একজন সাধারণ মানুষ ইঞ্জিনিয়ার বলতে একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারকেই কল্পনা করে থাকেন। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং সভ্যতার শুরু থেকেই বিস্তার লাভ করে আসছে। বাংলাদেশের এমন কোন জায়গা নেই যেখানে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের ছোঁয়া লাগেনি। সবচেয়ে পুরাতন, বড় এবং সকল প্রকৌশল জ্ঞানের সমন্বয় এই সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের কাজঃ


সুউচ্চ ভবন, হাইওয়ে,ব্রীজ,পানি প্রকল্প, পাওয়ার প্লান্ট ইত্যাদি পরিকল্পনা, ডিজাইন, গঠন এবং রক্ষনাবেক্ষন করার কাজ
করের সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। সিভিল ইঞ্জিনিয়ার জরিপের কাজ করে থাকে, প্রযুক্তিগত প্রতিবেদন দেয়, এমনকি প্রকল্প ব্যবস্থঅপক এর কাজও করে থাকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের পরিসরঃ


  • স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং
বাড়ি,হোটেল, পার্ক, ব্রীজ, বিল্ডিং ইত্যাদির উপরে নিজস্ব ভার বা বাইরের ভার প্রতিরোধ ক্ষমতা সহ বাতাস,পানি,ভুমিকম্প,তাপমাত্রা ইত্যাদির প্রভাব থেকে রক্ষার জন্য সিমেন্ট,বালি,রি-ইনফোর্সমেন্ট,কাঠ, অন্যান্য উপাদানের সমন্বয়ে সঠিক ডিজাইন করা হলো এই শাখার কাজ।

  • এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং
পরিবেশ তথা বাতাস এবং পানির দুষণ রোধ, বিশুদ্ধকরণ ইত্যাদি করা এই শাখার কাজ। বর্তমানে এটি একটি গুরুত্বপুর্ন শাখা। বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, বর্জ্য, মল ইত্যাদি অপসারণ এবং বিশুদ্ধকরণ করা নিয়ে আলোচনা করা হয় এই শাখাতে।

  • জিওটেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
প্রায় সকল সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখাতেই এটি কাজে লাগে। কারণ বেশির ভাগ স্ট্রাকচার ভুমির উপর অবস্থিত। মাটি বা পাথরের এর উপর স্ট্রাকচার এর প্রভাব এবং এদের বৈশিষ্ঠ্য নিয়ে আলোচনা করে এই শাখাটি। ভুগর্ভের সিপেজ,ভুমিকম্পের প্রভাব, স্থিতিশিলতা ইত্যাদি নিয়ে কাজ করে এর সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখাটি। বাধ, রিটেইনিং ওয়াল, ফাউন্ডেশন ইত্যাদির আংশিক ডিজাইন করা হয় এই শাখার মাধ্যমে।

  • ওয়াটার রিসোর্স ইঞ্জিনিয়ারিং
পানি আমাদের জিবনে অনেক গুরুত্বপুর্ন এটা আমরা সবাই যেমন জানি, তেমনি এটাও ঠিক যে এটি অত্যান্ত্য সাধারণ একটি কথা। আবার এই পানি আমাদের মরণও ডেকে নিয়ে আসে। তাও আমরা জানি। পানি সম্পদ প্রকৌশল পানির ভৌত অবস্থা নিয়ে আলোচনা করে। বন্যা, শহরের-কারখানা-সেচ এর পানি সরবরাহ, নদি ভাঙ্গন রোধ, নদির শাষন ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা এবং ডিজাইন করে থাকে। হাইড্রলিক পাওয়ার, বাধ, খাল, পানিধস ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে এই শাখাটি।

  • ট্রান্সপোর্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিং
কোন সমাজের বৈশিষ্ঠ্য বা গুন এর যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর নির্ভর করে। কোন সমাজের উন্নয়ন অনেকটা প্রভাবিত হয় এই যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর। মানুষ, মালামাল ইত্যাদি পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে গবেষনা, ডিজাইন, সমস্যা, সমাধান নিয়ে কাজ করে ট্র্যান্সপোর্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিং। অল্প রাস্তায় অধিক পরিবহন সুবিধা, দুর্ঘটনা কমানো, খরচ কমানো ইত্যাদি নিয়ে কাজ করে এই শাখাটি।

  • কন্সট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং
এই শাখাতে আলোচনা করা হয় যে কি ভাবে একটি কাঠামো গঠন করতে হবে। অর্থের ব্যবহার, সময়ের সংক্ষেপন, প্রয়োজনীয় মালামাল-যন্ত্রপাতি ইত্যাদির যোগান, কাঠামো গঠনের পদ্ধতি বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করা হয় শাখাতে।

  • আরবান এবং কম্যিনিটা প্লানিং
নগরায়ণ এবং শহর পরিকল্পনা করা হয় মুলত একটি গোষ্ঠি নিয়ে কাজ করা। একটি গোষ্ঠি বা জোট এ কি কি লাগতে পারে এবং কিভাবে লাগাতে হবে তা নিয়ে গবেষণা করা হয় এই শাখাতে

কাজের ক্ষেত্র ঃ

বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি চাকুরির ক্ষেত্র যে সিভিলেই,সেটা এখন আর কারো অজানা নয়।  ইঞ্জিনিয়ারিং এর কাজের
সড়ক ও জনপদ, গণপূর্ত বিভাগ, রিয়েল এস্টেট কোম্পানি, নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, পরিবেশ নিয়ে কর্মরত বিভিন্য মাল্টি
ন্যাশনাল কোম্পানি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, ইত্যাদি। শুধুমাত্র দেশে নয়, দেশের বাহিরেও রয়েছে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের অধিক চাহিদা। বাংলাদেশে সরকারি ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের একটা বড় অংশ নিয়োগ হয় সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে। দেশের ক্রমবর্ধমান নির্মান কাজের চাহিদার কারনে বেসরকারি খাতে ব্যাপক সিভিল ইঞ্জিনিয়াদের চাহিদা রয়েছে।

কেন ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের সিভিল বিভাগে ভর্তি হবেন?


সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে একজন শিক্ষার্থীর ভাল করার প্রথম শর্ত থিওরী ভালভাবে জানা এবং হাতেকলমে কাজ শেখা। এবং একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ জন্য থাকা প্রয়োজন পর্যাপ্ত দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক এবং যথেষ্ট ল্যাব উপকরন। ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের সিভিল বিভাগের জন্য রয়েছে ৫ জন দক্ষ শিক্ষক ও ব্যাবহারিক ক্লাসের জন্য যথেষ্ট ল্যাব উপকরন। শিক্ষার্থীদের ষ্ট্রাকচারাল ডিজাইন ও কম্পিউটার এইডেড ডিজাইনিং শেখানোর জন্য রয়েছে ২টি কম্পিউটার ল্যাব। এছাড়া এখনকার শিক্ষার্থীদের প্রতি সেমিষ্টারে বিভিন্ন বাস্তব শিল্প কারখানায় নিয়ে যাওয়া হয় তাদের বাস্তব কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে অবহিত করার জন্য।

ভর্তির যোগ্যতাঃ


যে কোন বিভাগ থেকে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষা ন্যূনতম ২.৫ জিপিএ সহ উত্তীর্ণ।

টিউশন ফিঃ

ভর্তি ফি: ৫০০০/- + ৩০০০/-

মাসিক বেতন: ১২০০-১৮০০/- (মেয়ে শিক্ষার্থীদের মাসে বেতন ৪০০/-)

সেমিষ্টার ফি: ৩০০০/-

MECHANICAL ENGINEERING

মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বা যন্ত্রকৌশল  পৃথীবির প্রথম ইঞ্জিনিয়ারিং।মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কে বলা হয মাদার অফ ইঞ্জিনিয়ারিং।ডিপ্লোমা-ইন-মেকানিক্যাল-ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সটি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের (বাকাশিবো) অধীনে পরিচালিত ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সগুলোর অন্তর্ভুক্ত। র্তমান সভ্যতায় সকল আধুনিক যন্ত্রপাতি পরিচালনার জন্য মেকানিক্যাল টেকনোলজির অবদান অপরিসীম এবং এর গুরুত্ব চিরকাল থাকবে। ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স , কম্পিউটার, টেক্সটাইল, সিভিল টেকনোলজি এর সিংহভাগ মেকানিক্যাল টেকনোলজির সাথে অতোপ্রতভাবে জড়িত। উন্নত জীবন যাপনের জন্য মানুষের প্রতিটি মুহুর্তেই মেকানিক্যাল টেকনোলজির যন্ত্রপাতির সাথে জড়িত।  ইঞ্জিনিয়ারিং  কর্মক্ষেত্রে এই কোর্সটির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে ।

কর্মক্ষেত্রঃ


একমাত্র মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংগণের সকল ক্ষেত্রে পেশার সুযোগ রয়েছে। সেগুলো হলো : পাওয়ার প্লান্ট, পিডিবি,সিমেন্ট ইন্ড্রাস্টি,সার কারখানা, অটোমোবাইল,পল্লী বিদ্যুৎ, ডেসকো, ওয়াসা, গ্যাসফিল্ড,জাহাজ নির্মাণ শিল্প, পেট্রোলিয়াম জাত পণ্য (লুব অয়েল,পেট্রোল,ডিজেল),রেলওয়ে,বিমান,নবায়নযোগ্য শক্তি, মেকানিক্যাল পন্য সামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সমূহ , সরকারী ও বেসরকারী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট সমূহ, সিটি কর্পোরেশন,পৌরসভা, ভোকেশনাল স্কুল, টিটিসি, টিএসসি, সৌর বিদ্যুৎ ,পরমানু গবেষনা কেন্দ্র,শিল্প-কারখানা, গার্মেন্টস ইন্ডাষ্ট্রি ইত্যাদি সহ আরো অনেক সরকারী/বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে উপ-সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে চাকুরীর সুবিধা রয়েছে।

কেন ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটে ভর্তি হবেন?


ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের মেকানিক্যাল বিভাগের জন্য রয়েছে ভারি মেশিনারিজ সমৃদ্ধ ৩২টি ল্যাব ও ওয়ার্কশপ। মেকানিক্যাল বিভাগের জন্য রয়েছে ৫ জন পূর্নকালীন দক্ষ শিক্ষক। এখনকার শিক্ষার্থীদের হাতেকলমে শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য সর্বাত্তক ক্লাসে অংশগ্রহন নিশ্চিত করা হয়।

ভর্তির যোগ্যতাঃ

  • যে কোন বিভাগ থেকে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষা ন্যূনতম ২.৫ জিপিএ সহ উত্তীর্ণ।

টিউশন ফিঃ


ভর্তি ফি: ৫০০০/- + ৩০০০/-

মাসিক বেতন: ১২০০-১৮০০/- (মেয়ে শিক্ষার্থীদের মাসে বেতন ৪০০/-)

সেমিষ্টার ফি: ৩০০০/-

AUTOMOBILE ENGINEERING

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির সূত্রানুসারে ঢাকা শহরে মোটরগাড়ির সংখ্যা সাত লাখ। আর সারা দেশে গাড়ি আছে ১৭ লাখেরও বেশি। এই লাখ লাখ গাড়ির তুলনায় অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারের সংখ্যা অনেক কম। এ রকম পরিস্থিতিতে অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পেশা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে খুবই চাহিদা সম্পন্ন। চাকুরীর বাজারে প্রয়োজনীয় সংখ্যার ‍তুলনায় অনেক কম সংখ্যক অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে পাশ করছে।

কাজের ধরন


অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ ভাগ রয়েছে—উৎপাদন, সেলস এবং সার্ভিসিং, ট্রা্ন্সপোর্ট সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট। উৎপাদন ক্ষেত্রের কাজে আবার কয়েকটি ভাগ রয়েছে। যেমন—ডিজাইন, ড্রয়িং ও ক্যালকুলেশন। কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন ইঞ্জিনিয়াররাই মূলত এসব কাজ করে থাকেন। সেলস বিভাগে গাড়ি বিপণন, বিক্রয় ও বিতরণের কাজ করা হয়ে থাকে। এই বিভাগে ভালো করতেও কারিগরি জ্ঞান খুব ভালো থাকতে হয়। গ্রাহকের চাহিদা বুঝে সেই অনুযায়ী গাড়ি বাছাই করে তার ইঞ্জিন ও অন্যান্য বিষয়ে সার্বিক তথ্য গ্রাহককে অবহিত করার দায়িত্ব এই বিভাগের জনবলের। অন্যদিকে সার্ভিসিং বলতে মূলত ওয়ারেন্টি বা সার্ভিস ফির মাধ্যমে গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশের মেরামত ও সার্ভিসিং করার কাজ বুঝানো হয়। ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট বলতে বড় বড় কোম্পানীর পরিবহন ব্যবস্থায় ব্যবহৃত গাড়ি ও অন্যান্য যানবাহন ব্যবস্থাপনার কাজ। সাধারনত অভিজ্ঞ অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়াররা এই সেক্টরে কাজ করতে পারেন।

কাজের ক্ষেত্র


অটোমোবাইল শিল্পে কাজের  ক্ষেত্র এখন বেশ বিস্তৃত। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে যেভাবে ইঞ্জিনের ব্যবহার বাড়ছে, তাতে দক্ষ কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তির চাহিদাও বাড়ছে। বর্তমানে আমাদের দেশে ২৫টিরও বেশি গাড়ি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তারা প্রতিনিয়ত বিদেশ থেকে গাড়ি আমদানি করছে এবং এই শিল্পকে সমৃদ্ধ হতে সাহায্য করছে। আমাদের দেশে গাড়ি উত্পাদনের সুযোগও সৃষ্টি হচ্ছে। আমাদের দেশে কার সার্ভিস সেন্টারের তুলনায় অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারের সংখ্যা বেশ কম। তাই এ সেক্টরে কর্মসংস্থানের সুযোগ অনেক বেশি।  এ বিষয়ে পড়ালেখা করে তাই সাধারণতই চাকরির জন্য বসে থাকতে হয় না। অটোমেবাইল ইঞ্জিনিয়ারদের চাকুরী পাবার গড় ১০০%। এছাড়া দেশের সরকারি অনেক চাকুরী ক্ষেত্রে যেমন বিআরটিএ, সেনাবাবিহিনী, নৌবাহিনী, সরকারি কলকারখানা,সহ পাওয়ার প্লান্ট ও অনেক সেক্টরে সরকারি চাকুরীর সুযোগ রয়েছে।

ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের অটোমোবাইল বিভাগে কেন ভর্তি হবেন?


অটোমোবাইল বিভাগ দক্ষ হয়ে পাশ করলে যেমন তার কর্মক্ষেত্রের অভাব নেই তবে দক্ষ হওয়ার জন্য শিক্ষার্থী যে প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করবে সেখানে প্রয়োজন দক্ষ ‍ও অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী এবং তার সাথে প্রয়োজন হাতেকলমে কাজ শেখার জন্য ভাল ল্যাব ও ওয়ার্কশপ। অনেকসময় দেখা যায় পাওয়ার বা মেকানিক্যাল বিভাগ থেকে পাশকৃত শিক্ষকদের দিয়ে অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ক্লাস নেয়ানো হয়, কিন্তু বর্তমান কোর্স কারিকুলাম মোতাবেক পাওয়ার বা মেকানিক্যাল বিভাগ থেকে পাশ করা শিক্ষকরা কয়েকটি বিষয় পড়াতে পারলেও মুল অটোমোবাইলের বিষয় সম্পর্কে পড়াতে অবশ্যই অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে পাশ করা শিক্ষক প্রয়োজন। ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট শুরু থেকেই প্রয়োজনমত সুদক্ষ অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ার শিক্ষক দিয়ে পাঠদান করে আসছে। এছাড়া ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটে ব্যাবহারিক কাজ শেখার জন্য এই বিভাগের জন্য রয়েছে মেকানিক্যাল ওয়ার্কশপ, ওয়েল্ডিং শপ, অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ, ড্রইং ল্যাব, বিভিন্ন কম্পিউটার সফটওয়্যারে কাজ শেখানোর জন্য রয়েছে কম্পিউটার ল্যাব। এছাড়া অটোমোবাইল ওয়ার্কশপে একটি গাড়ি, একটি ৩হুইলার, ১টি বাইক ও বিভিন্ন প্রকার অটোমোবাইল ইঞ্জিন ও কম্পোনেন্টস। শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরী। একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের জন্য এসকল উপকরন থাকা একান্ত জরুরী।

ভর্তির যোগ্যতাঃ


যে কোন বিভাগ থেকে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষা ন্যূনতম ২.৫ জিপিএ সহ উত্তীর্ণ।

টিউশন ফিঃ


ভর্তি ফি: ৫০০০/- + ৩০০০/-

মাসিক বেতন: ১০০০/- (মেয়ে শিক্ষার্থীদের মাসে বেতন ৪০০/-)

সেমিষ্টার ফি: ৩০০০/-

TEXTILE ENGINEERING

টেক্সটাইল পন্য রপ্তানি বাংলাদেশের প্রধান বৈদেশিক মূদ্রা অর্জনের খাত।  বস্ত্র মন্ত্রনালয় থেকে প্রকাশিত এক জরিপে জানা যায়, দেশে বস্ত্র ও রপ্তানী মুখী পোশাক (গার্মেন্টস) শিল্পে টেক্সটাইল ডিগ্রীধারী ও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারের প্রয়োজন ৩০,০০০ জন, সেখানে কর্মরত আছে মাত্র ২৫০০ জন । বস্ত্র অধিদপ্তরের প্রকাশিত প্রদিবেদন মোতাবেক এখনও বাংলাদেশে সরবারহ কৃত দক্ষ জনবলের পাশাপাশি ২০২১ সাল পর্যন্ত ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। দেশের সিংহভাগ কারখানা টেক্সটাইল ও সংশ্লিষ্ট, সুতরাং সেসকল সেক্টরে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে পাশ করে কাজ করার অপার সম্ভাবনা রয়েছে।

কর্মক্ষেত্রঃ


দেশের বস্ত্র শিল্প এই বিভাগের কর্মক্ষেত্রে প্রধান স্থান। দেশের টেক্সটাইল, জুট, স্পিনিং, ডাইং, গার্মেন্টস কল কারখানাতে কোয়ালিটি কন্ট্রোলার, প্রোডাক্শন অফিসার, প্যাটার্ন অফিসার থেকে শুরু করে বিভিন্ন পদে গার্মেন্টস ডিজাইন এন্ড প্যাটার্ন মেকিং বিভাগ থেকে পাশকৃত শিক্ষার্থীরা কাজ করার সুযোগ পাবে। উপরের চিত্রে দেখা যায় যে দেশে কি পরিমান জব এই বিভাগ থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীদের জন্য খালি আছে। এছাড়া রয়েছে বস্ত্র অধিপ্তরে বিভিন্ন সরকারি চাকুরীর সুযোগ।

কেন ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভর্তি হবেন?


ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের এই বিভাগ থেকে পাশকৃত শিক্ষার্থীদের চাকুরী পাবার হার ৯৮%। টেক্সটাইল বিভাগের জন্য রয়েছে সুদক্ষ শিক্ষক মন্ডলী ও ল্যাব। এছাড়া এখানকার শিক্ষার্থীদের প্রতি সেমিষ্টারে একটি করে টেক্সটাইল সংশ্লিষ্ট ইন্ডাষ্ট্রিতে ভিজিটে যাওয়া বাধ্যতামুলক ফলে হেভি ইন্ডাষ্ট্রিয়াল টেক্সটাইল মেশিনারিজ সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা বাস্তবে জানতে পারে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে একমাত্র দেশের মধ্যে ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের অভ্যন্তরে রয়েছে একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী যেখান থেকে শিক্ষার্থীরা অন্য যে কোন প্রতিষ্ঠানের তুলনায় একটি বাস্তব গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী সম্পর্কে এবং সরাসরি প্রোডাকশন সিস্টেম, প্যাটার্ন  তৈরি, কোয়ালিটি কন্ট্রোল সম্পর্কে ভাল ধারনা পেতে পারে। এখানে রয়েছে এই বিভাগের জন্য সুদক্ষ শিক্ষক মন্ডলী। এছাড়া কম্পিউটার এইডেড গার্মেন্টস প্যাটার্ন ডিজাইনিং করতে রয়েছে সুসজ্জিত কম্পিউটার ল্যাব। এখান থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা দেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় “ডুয়েট” ও “বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে” ভর্তি পরীক্ষায় চান্স পেয়ে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে অধ্যায়ন করছে।

ভর্তির যোগ্যতাঃ

যে কোন বিভাগ থেকে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষা ন্যূনতম ২.৫ জিপিএ সহ উত্তীর্ণ।

টিউশন ফিঃ

ভর্তি ফি: ৫০০০/- + ৩০০০/-

মাসিক বেতন: ১২০০-১৮০০/- (মেয়ে শিক্ষার্থীদের মাসে বেতন ৪০০/-)

সেমিষ্টার ফি: ৩০০০/-

RAC ENGINEERING

কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ডিপ্লোমা ইন RAC ইঞ্জিনিয়ারিং উত্তীর্ণদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজের সুযোগ আছে।

কেন ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটে ভর্তি হবেন?

ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা কোর্স শেষে দেশের নামকরা সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছে তা ইতমধ্যে আমাদের তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। আমাদের শিক্ষার্থীদের এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে প্রতিষ্ঠানের মানসম্মত পরিবেশ, অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলীর নিবিড় পর্যাবেক্ষন, উন্নত মানের একাধিক ল্যাব ও ওয়ার্কশপ যেখানে থিওরী শেখার পাশাপশি ম্যানগ্রোভের শিক্ষার্থীরা ব্যাবহারিক শিক্ষায় পারদর্শী এবং এই ব্যাবহারিক শিক্ষার জন্য যে কোন প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন আধুনিক যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ ল্যাব। 

ভর্তির যোগ্যতাঃ

  • যে কোন বিভাগ থেকে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষা ন্যূনতম ২.৫ জিপিএ সহ উত্তীর্ণ।

টিউশন ফিঃ


ভর্তি ফি: ৫০০০/- + ৩০০০/-

মাসিক বেতন: ৫০০/- (মেয়ে শিক্ষার্থীদের মাসে বেতন ৪০০/-)

সেমিষ্টার ফি: ৩০০০/-